অনেকে ভাবেন ইলেকট্রিক কুকারে শুধু ভাত রান্না হয়। আসলে একটা মাল্টি কুকারে প্রতিদিনের প্রায় সব রান্নাই করা যায়, বিশেষ করে যেগুলোতে বেশি ঝামেলা নেই। গ্যাস নেই, হোস্টেলে থাকেন, বা অফিসে দুপুরে কিছু গরম খেতে চান, এই ৫টা রান্না দিয়ে শুরু করুন।
পাত্রের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি কখনো ভরবেন না, আর খালি পাত্রে কুকার চালু করবেন না। আপনার কুকারের মডেল অনুযায়ী রান্নার সময় একটু কম-বেশি লাগতে পারে।
১. ঝরঝরে ভাত
চাল ধুয়ে পাত্রে দিন। সাধারণ চালে চালের প্রায় দ্বিগুণ পানি দিন। ঢাকনা লাগিয়ে চালু করুন। পানি শুকিয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে দিন (নব থাকলে) বা বন্ধ করে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন। ওয়ার্মার থাকলে ভাত অনেকক্ষণ গরম থাকবে।
২. এক পাত্রে খিচুড়ি
পাত্রে অল্প তেল দিয়ে পেঁয়াজ, আদা-রসুন আর মসলা হালকা ভেজে নিন। এরপর ধোয়া চাল-ডাল, লবণ, হলুদ আর পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাঝে একবার নেড়ে দিন। নন-স্টিক পট হওয়ায় নিচে লেগে যাওয়ার ভয় কম।
৩. ভাতের সাথে ডিম আর সবজি, একসাথে
এটাই স্টিমারের আসল মজা। নিচে ভাত বা ডাল চাপিয়ে দিন, আর ওপরের স্টিমারে ডিম, আলু, গাজর বা ব্রকলি বসিয়ে দিন। একবারেই ভাত, সেদ্ধ ডিম আর ভাপা সবজি তৈরি। বিদ্যুৎ আর সময়, দুটোই বাঁচে।
৪. নুডলস বা গরম স্যুপ
পাত্রে পানি গরম করে নুডলস আর মসলা দিন, কয়েক মিনিটেই তৈরি। স্যুপের জন্য সবজি, ডিম বা মুরগির ছোট টুকরো দিয়ে ফুটিয়ে নিন। বিকেলের নাস্তা বা রাতের হালকা খাবারের জন্য দারুণ।
৫. মোমো বা ভাপা পিঠা
নিচের পাত্রে পানি দিন, ফুটে উঠলে স্টিমার ট্রেতে মোমো বা পিঠা সাজিয়ে ঢাকনা দিন। ট্রেতে অল্প তেল মাখিয়ে নিলে বা কলাপাতা দিলে লেগে যাবে না। কাচের ঢাকনা দিয়ে দেখে নিন কখন তৈরি হলো।

রান্না শেষে যা মনে রাখবেন
- সুইচ বন্ধ করে প্লাগ খুলে নিন
- গরম অবস্থায় শুধু হাতল ধরে নাড়াচাড়া করুন
- ঠান্ডা হলে নরম স্পঞ্জ দিয়ে পাত্র ধুয়ে নিন
এই রান্নাগুলোর জন্য স্টিমারসহ একটা মাল্টি কুকার থাকলেই যথেষ্ট। ছোট পরিবার বা একার জন্য ছোট সাইজ, আর পরিবার বড় হলে বড় সাইজ বেছে নিন।
স্টিমারসহ মাল্টি কুকার







