গ্যাসের চাপ কম, লাইনে গ্যাস নেই, বা সিলিন্ডার হঠাৎ শেষ? ঢাকার অনেক এলাকায় এটা এখন নিয়মিত সমস্যা। ভালো খবর হলো, গ্যাস ছাড়াও ঘরে আরামসে রান্না করার কয়েকটা ভালো বিকল্প আছে। কোনটা আপনার জন্য ঠিক, চলুন দেখি।
১. ইলেকট্রিক মাল্টি কুকার
ভাত, ডাল, তরকারি, খিচুড়ি, নুডলস, স্যুপ, আবার স্টিমারে মোমো বা সবজি ভাপানো, এক যন্ত্রেই সব। আলাদা হাঁড়ি-পাতিল লাগে না, শুধু প্লাগ লাগিয়ে রান্না।
- সুবিধা
দাম কম, জায়গা কম লাগে, আলাদা পাত্র লাগে না, ব্যাচেলর থেকে পরিবার সবার জন্য - সীমাবদ্ধতা
একবারে একটা পাত্রে রান্না, অনেক বেশি ভাজাপোড়ার জন্য চুলার মতো সুবিধাজনক নয়
২. ইন্ডাকশন চুলা
দেখতে গ্যাসের চুলার মতো ব্যবহার করা যায়, দ্রুত গরম হয়।
- সুবিধা
নিজের হাঁড়ি-কড়াইয়ে রান্না, ভাজাপোড়াও করা যায় - সীমাবদ্ধতা
শুধু ইন্ডাকশন-উপযোগী (চুম্বক লাগে এমন) তলার পাত্রে কাজ করে, অ্যালুমিনিয়াম বা মাটির পাত্রে চলে না

৩. ইনফ্রারেড চুলা
যেকোনো পাত্রে রান্না করা যায়, এটাই এর বড় সুবিধা। তবে চুলার ওপরের অংশ অনেকক্ষণ গরম থাকে, তাই বাচ্চা থাকলে সাবধান থাকতে হয়।
৪. এলপিজি সিলিন্ডার
লাইনের গ্যাস না থাকলে অনেকেই সিলিন্ডার ব্যবহার করেন। নভেম্বর ২০২৬-এ ১২ কেজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ২,০৬০ টাকা। সমস্যা হলো হঠাৎ শেষ হয়ে গেলে নতুন সিলিন্ডার আনার আগ পর্যন্ত রান্না বন্ধ।
তাহলে কোনটা বেছে নেবেন?
| আপনার অবস্থা | ভালো বিকল্প |
|---|---|
| একা বা ব্যাচেলর | ছোট মাল্টি কুকার (১.৫ থেকে ২ লিটার) |
| ছোট পরিবার | ৩ লিটার মাল্টি কুকার |
| বড় পরিবার | ২৮ সেমি মাল্টি কুকার (৫ বা ৭.৫ লিটার) |
| প্রচুর ভাজাপোড়া হয় | ইন্ডাকশন বা সিলিন্ডারের সাথে একটা মাল্টি কুকার |
গ্যাস থাকলেও একটা মাল্টি কুকার রেখে দিন। গ্যাস চলে গেলে বা সিলিন্ডার শেষ হলে রান্না বন্ধ হবে না, আর ভাত-ডালের মতো রোজকার রান্না কুকারে করলে গ্যাসও বাঁচে।
কুকারে কারেন্ট বিল কত আসে, তার হিসাব দেওয়া আছে ইলেকট্রিক কুকারে মাসে কত কারেন্ট বিল আসে লেখায়।







